ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানকে ডেভিড বলেন,এখানে নিয়মিত পরিবর্তন ঘটছে। সব সময়ই পাল্টাচ্ছে, একত্রিত হচ্ছে, বন্ধ হচ্ছে, নতুন কেউ নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে অথবা সংস্কার কাজ চলছেই।
যদিও তার খুব একটা বিশ্বাস নাই যে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক চুক্তিগুলো পুনর্মূল্যায়ন করে ট্রাম্প ভারি শিল্প প্রতিষ্ঠা করবেন এবং চীনের হাতে কর্মসংস্থানের বাজার তুলে দিয়েছে যেসব কোম্পানি, তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবেন। তবুও তিনি ট্রাম্পকেই ভোট দিয়েছেন। বলেন, ট্রাম্প অন্যদের তুলনায় ভিন্ন হবেন। এসব কাজ করে কিংবা অন্যভাবে ট্রাম্প অন্যদের তুলনায় আলাদা হবেন।
ব্রুনেলের মতো অনেক ভোটার, যারা বিশ্বায়নের চেয়ে কর্মসংস্থানকে গুরুত্ব দিয়ে আসছেন, তাদের সমর্থনে ওহাইওতে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী রিপাবলিকান প্রার্থী ট্রাম্প। দ্য রিয়েল ক্লিয়ার পলিটিক্স অ্যাভারেজের পরিচালিত সর্বশেষ জনমত জরিপে এই অঙ্গরাজ্যে রিপাবলিকান হিলারি ক্লিনটনের চেয়ে ২ দশমিক ২ পয়েন্ট ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। ১৯৬০ সালের পর থেকে এই অঙ্গরাজ্যে যেই প্রার্থী জয়ী হয়েছেন তিনিই প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছে। ১৯৬০ সালে রিচার্ড নিক্সনকে এখানে হারিয়েছিলেন জন এফ কেনেডি।
এক সময়কার ডেমোক্র্যাট দুর্গ বলে পরিচিত ওহাইওতে এবার রিপাবলিকানরা জয় পেতে পারেন ব্রুনেলের মতো ভোটারদের কারণে। মাত্র ৮ বছর আগেই প্রাইমারির সময় ইয়ংসটাউন ও মাহোনিং কাউন্টির ৮৬ শতাংশ ভোটার ছিলেন ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে। বিপরীতে রিপাবলিকানদের সমর্থন ছিল মাত্র ১৪ শতাংশ। অথচ এ বছর ব্যবধান কমে তা দাঁড়িয়েছে ৫১-৪৯ এ।
ওবামা প্রশাসনের অধীনে ২০০৮ সালের অর্থনৈতিক মন্দা থেকে ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতার দিকে আগাচ্ছে ওহাইও-র অর্থনীতি। সম্প্রতি এখানকার কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছে। জর্জ ডব্লিউ বুশের সময় এখানে দ্রুত ও ক্রমাগত ছাঁটাইয়ের ঘটনা ঘটে। সূত্র: গার্ডিয়ান।
/এএ/