মাত্র সাত ভোটের ব্যবধানে আবারও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের (হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভ) স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন ডেমোক্র্যাট নেতা ন্যান্সি পেলোসি। জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে এখবর জানিয়েছে।
এবার ন্যান্সির জয় সহজ ছিল না। ডেমোক্র্যাট সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকার পরও তিনি স্পিকার পদ জিতেছেন মাত্র সাত ভোটে (২১৬-২০৯)। দলের ভিতরেই বিরোধিতা ছিল। অনেক তরুণ সদস্য স্পিকার পদের দাবিদার ছিলেন। করোনার কারণে অনেকে আসেননি। তবে সেই সব বাধা অতিক্রম করে পেলোসি আবার স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন।
২০০৩ সাল স্পিকারের দায়িত্বে রয়েছেন ন্যান্সি পেলোসি। ৮০ বছর বয়সী মার্কিন এই রাজনীতিক বলেছেন, আর দুই বছর তিনি স্পিকার থাকতে চান।
জামাল বাউম্যান এবারই প্রথম মার্কিন পার্লামেন্টে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ‘আমি স্থায়িত্বের জন্যই ন্যান্সিকে ভোট দিয়েছি।’
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরোধিতা করার জন্য ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে একটা বড় অংশ পেলোসির প্রশংসা করেন। তারা মনে করেন, পেলোসি হলেন অসাধারণ পার্লামেন্ট সদস্য এবং খুবই কঠোর মধ্যস্থতাকারী।
হাউজ অব রিপ্রেজেনটেটিভে ডেমোক্র্যাটরা সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং স্পিকারও তাদের দল থেকেই হলেন, কিন্তু সিনেটের ছবিটা আলাদা। সেখানে রিপাবলিকানরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। ২০ জানুয়ারি বাইডেন প্রেসিডেন্টের দায়িত্বভার নেওয়ার পর রিপাবলিকান সিনেটরদের একাংশ তার প্রবল বিরোধিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
সিনেটর ট্রেড ক্রুজ জানান, আগামী ৬ জানুয়ারি তিনি ও আরও অন্তত দশজন সিনেটর ইলেক্টোরাল কলেজের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করবেন। তার দাবি, বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে ভোট জালিয়াতি হয়েছে। তাই বাইডেনের জয়কে তারা চ্যালেঞ্জ জানাবেন।