বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প

বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আরও ১১টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বাংলাদেশ ও তুরস্কের মোট ১১১টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার ঘোষণাকে যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদন, রফতানি ও কর্মসংস্থানের জন্য বড় ধরনের অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।

ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এটিকে ‘বোয়িং ও আমেরিকান ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের জন্য বড় দিন’ হিসেবে উল্লেখ করেন। বাংলাদেশ ও তুরস্কের উড়োজাহাজ কেনার ঘোষণার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দুই দেশ মোট ১১১টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার ঘোষণা দিয়েছে। এর পাশাপাশি আরও ৫০টি উড়োজাহাজ কেনার সুযোগ রাখা হয়েছে।

বোয়িংয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১১১টি নিশ্চিত অর্ডারের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জন্য রয়েছে ১১টি উড়োজাহাজ এবং তুর্কিশ এয়ারলাইন্সের জন্য রয়েছে ১০০টি বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স। আরও ৫০টি উড়োজাহাজ কেনার সুযোগটি তুর্কিশ এয়ারলাইন্সের।

ট্রাম্প বলেন, এসব চুক্তির ফলে কয়েক হাজার কোটি ডলারের বিক্রি ও উল্লেখযোগ্য মার্কিন রফতানি হবে। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে কয়েক দশমিক হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে বলেও দাবি করেন তিনি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য উৎপাদন ও রফতানি এবং মার্কিন কর্মীদের সহায়তার মাধ্যমে কোম্পানিগুলো আরও শক্তিশালী হয়। একই সঙ্গে বোয়িং ও এর কর্মীদের অভিনন্দন জানান তিনি।

এর আগে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও বোয়িংয়ের মধ্যে একটি সম্পূরক চুক্তি সই হয়। চুক্তির আওতায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স তার বহর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে পাঁচটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার এবং ছয়টি ৭৩৭-৮ উড়োজাহাজ কেনার অর্ডার দিয়েছে।

বিমানের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন এবং বোয়িংয়ের পক্ষে কমার্শিয়াল সেলস অ্যান্ড মার্কেটিংয়ের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড ম্যাকমুলেন চুক্তিতে সই করেন।