নিহত গোলাম রাব্বি ও শামীমা রাব্বি কয়েক বছর আগে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যান। গোলাম রাব্বি পেশায় ছিলেন একজন প্রকৌশলী।শামীমা হিসাবরক্ষক হিসেবে কাজ করতেন।ওই দম্পতির ১৭ ও ২১ বছরের দু’টি সন্তান রয়েছে। সৌভাগ্যক্রমে হত্যাকাণ্ডের সময় তারা বাসায় ছিলেন না বলে জানিয়েছেন গোলাম রাব্বির বন্ধুরা।
বেশ কয়েকদিন ধরে রাব্বি ও তার স্ত্রীর কোনও খবর না পেয়ে রবিবার ওই বন্ধু তাদের বাসায় যান। বাসায় গিয়ে ওই বন্ধু খোলা একটি কাঁচের দরজা দিয়ে ঘরে প্রবেশ করেন। এসময় তিনি মেঝেতে তাদের রক্তাক্ত লাশ পড়ে থাকতে দেখতে পান।
আরও পড়ুন: দেশের একমাত্র গে ম্যাগাজিন ‘রূপবান’ কাহিনী
স্থানীয় এভারগ্রিন ইসলামিক সেন্টারের সদস্য হাসান রহিম জানান, নিহত দম্পতি খুব ভদ্র ও শান্তিপ্রিয় ছিলেন। এ কারণেই তাদের এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড মেনে নেওয়া যাচ্ছে না।
স্থানীয় একটি সূত্র সংবাদমাধ্যমকে জানান,মেঝেতে কালি দিয়ে একটি বার্তা লেখা ছিলো ছিল,‘দুঃখিত, আমার প্রথম হত্যাকাণ্ডটি এমন কদাকার।’
আরও পড়ুন: এ কোন বর্বরতা!
এভারগ্রিন ইসলামিক সেন্টার মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান করছে। ওই দম্পতি স্থানীয় মসজিদের কাছেই বসবাস করতেন এবং তারা খুব ধর্মপ্রাণ ছিলেন। ইসলামিক সেন্টারের আরেক সদস্য ফয়সাল ইয়াজেদি জানান,তারা আমাদের মাঝে নেই এটা বিশ্বাসই হচ্ছে না। বিশেষ করে মৃত্যুর কোনও কারণ আমাদের চিন্তায় আসছে না।
পুলিশ জানিয়েছে, রাব্বি ও শামীমাকে অন্তত একবার করে গুলি করা হয়েছিল। তবে হত্যার মোটিভ ও সন্দেহভাজনের বিষয়ে কোনও তথ্য জানাতে পারেনি পুলিশ। এ বিষয়ে যে কোনও তথ্য জানা থাকলে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।
/এএ/এমএসএম /