রক্তের অবৈধ কেনাবেচা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান বলেছেন, রক্তের জরুরি প্রয়োজনে মানুষ খুব অসহায় হয়ে যায়। আর তখনই অবৈধ ব্লাড ব্যাংকগুলো ব্যবসা করার সাহস পায়। সরকারের উচিত এসব অবৈধ ব্লাড ব্যাংক বন্ধ করা এবং একইসঙ্গে যারা মাদকাসক্ত হয়ে রক্ত দেন তাদেরও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা।
অনুষ্ঠানে বক্তার বলেন, ডোনারদের মাধ্যমে রক্ত দেওয়া এখনও পুরোপুরি সম্ভব হয়নি। কিন্তু দেশে পেশাদার রক্তদাতাদের সংখ্যা অনেক কমে গেছে। অসুস্থ, নেশাগ্রস্ত মানুষদের রক্ত দেওয়াটা বেশিরভাগ হাসপাতালে বন্ধ হয়েছে। একইসঙ্গে দেশের মানুষ এখন নিরাপদে রক্ত দিতে পারছে, কোনও ঝুঁকি নেই।
সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে ডা. কামরুল হাসান খান বলেন,নিরাপদ রক্ত পরিসঞ্চালনের স্বার্থে বিভিন্ন হাসপাতালে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একইসঙ্গে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, সরকারের উদ্যোগ, পুলিশ-আনসার বাহিনীর রক্তদাতা ইউনিট-সবাইকে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। তাহলেই রক্তের কেনাবেচা বন্ধ করা যাবে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. সামিউল ইসলাম বলেন, রক্তের অভাবে মানুষ মারা যাবে এটা মানা যায় না। তবে যারা অবৈধভাবে ব্যবসা করার জন্য রক্তের দোকান খুলে বসেছে তাদেরকে আমরা বন্ধ করতে পারছি না, কারণ তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করে আমরা এটা করতে পারি না। আমরা চেষ্টা করছি তাদের নিয়ন্ত্রণ করার জন্য।
ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, সারা দেশের পুলিশ বিভাগে যারা কর্মরত আছেন তারা সবাই রক্তদানে সক্ষম। পুলিশ বিভাগসহ সরকারের অন্যান্য সংস্থাগুলোও যদি স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচিতে উদ্বুদ্ধ হয় তাহলেই দেশে অবৈধ রক্তের ব্যবসা বন্ধ হবে, মানুষ নিরাপদ রক্ত পাবে।
অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবী রক্তদানের সংগঠন সন্ধানীর সারাদেশের ২৫টি ইউনিট থেকে ২৫ জনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের সর্বোচ্চ রক্তদাতাদের সম্মাননা দেওয়া হয়।
- আশরাফের মুখ ‘বন্ধ’ করুন: প্রধানমন্ত্রীকে জাসদ
- গণবাহিনী আ.লীগের নেতা-কর্মীদের হত্যা না করলে দেশে দুর্দিন আসতো না: ফিরোজ রশীদ
/জেএ/এমও/এমএসএম/