আজ বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) সচিবালয়ে ১০ ও ২০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি হাসপাতাল সংস্কার ও চালু করার বিষয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী এই নির্দেশ দেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় জানানো হয়, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সময়ে দেশের কয়েকটি অঞ্চলে ৬৩টি ১০ ও ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়েছিল। এগুলোর অধিকাংশই এখন কার্যকর সেবা প্রদান করতে পারছে না। চিকিৎসক ও নার্সের অপ্রতুলতা এবং ভবন ও যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে হাসপাতালগুলো এখন অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে।
চিকিৎসক, নার্সসহ প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দিলে অবকাঠামোগত দিক দিয়ে ব্যবহার উপযোগী কয়েকটি হাসপাতাল শিগগিরই চালু করা সম্ভব বলে সভায় জানানো হয়। এসময় হাসপাতালগুলোর সার্বিক পরিস্থিতি এবং নতুনভাবে চালু করতে সম্ভাব্য পদ্ধতি সম্পর্কে পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক মো. আসাদুল ইসলাম।
পরে মন্ত্রী আগামী ১৫ দিনের মধ্যে অকার্যকর সবগুলো হাসপাতালের সমস্যা চিহ্নিত করে বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে সর্বশেষ তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দেন। এসময় তিনি দ্রুততম সময়ের মধ্যে ১৫টি হাসপাতাল কার্যকর করার নির্দেশ দেন।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে স্বাস্থ্য সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন-
ভুয়া ক্লিনিক মালিকদের দাবি মানা হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সরকারের নৈতিক পরাজয় হয়েছে: আনু মুহাম্মদ
/জেএ/টিআর/