তিনি বলেন, দীর্ঘমেয়াদি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অ-সংক্রামক রোগগুলোর মধ্যে ডায়াবেটিসকে অন্যতম প্রধান বাধা হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। ডায়াবেটিসের সঙ্গে বসবাসরত রোগীদের ক্রমবর্ধমান সংখ্যাবৃদ্ধি রোধে ও এটিকে নিয়ন্ত্রণ করতে প্রয়োজন সচেতনতা ও সঠিক সময়ে চিকিৎসকসহ পর্যাপ্ত গুনাগুণসম্পন্ন ইনসুলিন সরবরাহ। এ চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে দেশেই আধুনিক ইনসুলিন উৎপাদনের ফলে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবেন ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীরা। এ সময় নভো নরডিস্কের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কর্পোরেট ভাইস প্রেসিডেন্ট শবনম আভসার টুনা ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান লতিফুর রহমান, বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেনর্মাকের রাষ্ট্রদূত মাইকেল হেমিনিটি উইন্থার, ঔষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ডায়াবেটিস সচেতনতা, প্রতিরোধ ও সময়োপযোগী চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়ে ৯০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সারা বিশ্বে কাজ করছে নভো নরডিস্ক। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের প্রায় ৭৭ টি দেশের ৪১ হাজারের বেশি কর্মী রয়েছে। তারা ১৬৫টি দেশে ইনসুলিন বাজারজাত করে থাকে।