বিএসএমএমইউ এর তথ্য কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার মজুমদার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দিবস উপলক্ষে সকালে উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া জাতীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পতাকা উত্তোলন করবেন। এরপর উপ উপাচার্যদের নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের উদ্বোধন ঘোষণা করবেন। এরপর উপাচার্যের নেতৃত্বে সবার অংশগ্রহণে সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা থেকে একটি র্যা লি বের হবে।’
এছাড়াও রয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। দিবস উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৯টায় শহীদ ডা. মিলন হলে এক সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন। দিবসটি উপলক্ষে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সবাইকে শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।
এদিকে দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এক বাণীতে চিকিৎসা গবেষণার ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তিনি বলেন, ‘চিকিৎসাক্ষেত্রে নতুন নতুন গবেষণা ও উদ্ভাবনের সঙ্গে পরিচিত হতে এবং তা আমাদের জনগণের স্বাস্থ্যসেবায় প্রয়োগ ঘটাতে দেশে চিকিৎসা গবেষণার ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। আমি আশা করি, এ বিশ্ববিদ্যালয় এক্ষেত্রে আরও উদ্যোগী ও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।’
রাষ্ট্রপতি বলেন, “১৯৯৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পর থেকে দেশে চিকিৎসাবিজ্ঞানে উচ্চতর গবেষণা এবং চিকিৎসা সেবায় এটি অনন্য ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। উচ্চতর গবেষণাসহ জনগণকে চিকিৎসা প্রদানের ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় একটি মডেল। তাই ‘সেন্টার অব এক্সিলেন্স’ হিসেবে দেশে-বিদেশে এটি প্রতিষ্ঠিত হোক, জাতি তা প্রত্যাশা করে।”
বিএসএমএমইউ এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় যুগোপযোগী চিকিৎসা এবং শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও বলেন, ‘এ বিশ্ববিদ্যালয় ১০০০ শয্যায় উন্নীত করার লক্ষ্যে প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও রাজশাহী ও চট্টগ্রামে দু’টি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় চালু করতে উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সিলেটে আরও একটি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’