বাল্যবিয়ে শূন্যের কোঠায় নামাতে হবে

বাল্য বিয়েদেশে বাল্যবিয়ের হার ৫৯ শতাংশ। পরিবার পরিকল্পনা সেবা নিশ্চিত করে মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার রোধ এবং কিশোরী মায়েদের সন্তান জন্মদানের হার কমাতে হলে বাল্যবিয়ের হার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে হবে। বুধবার (১ আগস্ট) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত দুদিনব্যাপী কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় এবং ইউএনএফপিএ’র সহযোগিতায় পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতর এই কর্মশালার আয়োজন করে।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মহাপরিচালক কাজী মোস্তফা সারোয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব জিএম সালেহ উদ্দিন। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন অধিদফতরের পরিচালক (অর্থ) প্রণব কুমার নিয়োগী, ইউএনএফপি’র রিজিওনাল হেড ড. ভিনিত শর্মা প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, পরিবার পরিকল্পনা সেবা নিশ্চিত করতে সরকার শিগগির ১০ হাজার কর্মী নিয়োগ করতে যাচ্ছে। দেশে বর্তমানে প্রাতিষ্ঠানিক জন্ম হার মাত্র ৪০ ভাগ। এসডিজি অর্জন করতে হলে এই হার কমপক্ষে ৭০ ভাগে উন্নীত করতে হবে। বক্তারা প্রাকৃতিক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইনসহ অনেক দেশে জন্মনিয়ন্ত্রণে নারীরা প্রাকৃতিক পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু আমাদের দেশে এই হার মাত্র ৮ ভাগ।

কর্মশালায় প্যানেল আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. বারাকাত ই খোদা, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাইনুল ইসলাম, হোসাইন জিল্লুর রহমান, ড. ওবাইদুর রব, অধ্যাপক ডা. একে এম নুরুন্নবী ও অধ্যাপক ড. আবু জামিল ফয়সাল।