সংবাদ সম্মেলনে উপ-উপাচার্য বলেন, ‘মেডিসিন ও শিশু ওয়ার্ড, ডেঙ্গু চিকিৎসা সেল, কেবিন, নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র ( আইসিইউ) ও এইচডিইউতে এসব রোগী ভর্তি আছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু সেলে চিকিৎসা নিয়েছেন ২৪২ রোগী। আর গত ২৯, ৩০ ও ৩১ জুলাইয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বহির্বিভাগে পাঁচ শতাধিক রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন।’
অধ্যাপক ডা. রফিকুল আলম বলেন, ‘ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে শয্যা সংখ্যা ১৫০ থেকে ২০০ করা হয়েছে। ডেঙ্গু সেলে যারা ভর্তি থাকছেন, তাদের সব ধরনের পরীক্ষা, ওষুধ, চিকিৎসা, বেড ভাড়া; এমনকী আইসিইউ ও এইচডিইউ সেবাও বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধাক্ষ্য অধ্যাপক ডা. আতিকুর রহমান জানান, ডেঙ্গুরোগীদের জন্য এ পর্যন্ত প্রায় ১০ লাখ টাকার পরীক্ষা-নিরীক্ষার পাশাপাশি বিনামূল্যে ওষুধ দেওয়া হয়েছে।
অ্যানেসথিশিয়া, অ্যানালজেশিয়া অ্যান্ড ইনটেনসিভ কেয়ার মেডিসিন বিভগের চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ( হাসপাতা) অধ্যাপক ডা. এ কে এম আখতারুজ্জামান বলেন, ‘বর্তমানে আইসিইউতে তিন জন এবং এইচডিইউতে সাত জন ডেঙ্গু রোগী রয়েছেন।’ তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা সংকটাপন্ন বলেও তিনি জানান।