গত ৯ জানুয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল ক্যাম্পেইনের ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘স্বাধীনতার পরপর রাতকানা রোগে আক্রান্তের হার ছিল ৪ শতাংশের ওপরে। এখন সেটা এক শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্যই এটা সম্ভব হয়েছে।’
তিনি জানান, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের ফলে শিশুরা রাতকানা রোগ থেকে রক্ষা পায়। তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। ডায়রিয়া, আমাশয়, কলেরা ও নিউমোনিয়াসহ অন্যান্য রোগের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) ক্যাম্পেইন শুরু হয় সকাল ১০টায়। ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল হাই ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করে যথাযথভাবে সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। ডিএনসিসিতে এক হাজার ৪৯৯টি কেন্দ্রের মধ্যে স্থায়ী ৪৯টি এবং অস্থায়ী এক হাজার ৪৫০টি ক্যাম্পে দুই হাজার ৯৯৮ জন স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবী কাজ করছেন। এই সিটিতে মোট পাঁচ লাখ ৮০ হাজার ১৯০ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।
একইভাবে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে (ডিএসসিসি) ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী তিন লাখ ৪৮ হাজার ৭০৪ জন শিশুকে লাল রঙের ক্যাপসুল এবং ছয় থেকে ১১ মাস বয়সী ৫৫ হাজার ৯৫৫ জন শিশুকে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খওয়ানো হচ্ছে।
তবে বিশ্ব ইজতেমার জন্য গাজীপুরে ১১ জানুয়ারির পরিবর্তে ২৫ জানুয়ারি ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।