‘নতুন করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরিতে সময় লাগবে দেড় বছর’

‘মলিকুলার এপিডেমিলোজি অ্যান্ড ইমিউনোলজি অফ নভেল করোনা ভাইরাস হাইপস অ্যান্ড হোপস’ শীর্ষক সেমিনার

নতুন করোনা ভাইরাসের (২০১৯-এনসিওভি) ভ্যাকসিন তৈরি করতে আরও দেড় বছর সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন জাপানে কর্মরত বাঙালি বিজ্ঞানী ড. শেখ মোহাম্মদ ফজলে আকবর। রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ইপনা অডিটোরিয়ামে ‘মলিকুলার এপিডেমিলোজি অ্যান্ড ইমিউনোলজি অফ নভেল করোনা ভাইরাস হাইপস অ্যান্ড হোপস’ শীর্ষক সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে এসব কথা বলেন তিনি।

ড. শেখ মোহাম্মদ ফজলে আকবর বলেন, বিশ্বে বর্তমানে প্রায় ১৪ হাজার মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। মারা গিয়েছেন তিন শতাধিক মানুষ। তাই এটি মোকাবিলা করতে হলে ভাইরাসটির আচরণ থেকে শুরু করে সবকিছুই জানতে হবে। এই ভাইরাসটির ভ্যাকসিন তৈরি করতে আরও দেড় বছর সময় লাগবে।

করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, খাবারের আগে কমপক্ষে আধা মিনিট ধরে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে এবং রাস্তাঘাটে থুথু ফেলা বন্ধ করতে হবে। একইসঙ্গে ভাইরাসটি স্পর্শ থেকেও সংক্রমিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, তাই এ নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে গঠনমূলকভাবে মোকাবিলা করতে হবে।

সেমিনারে বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগী পাওয়া না গেলেও বাংলাদেশ ঝুঁকিতে আছে। ভাইরাসটি যাতে বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য জনসচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি ভাইরাসটি মোকাবেলায় কী কী করণীয় রয়েছে তা দ্রুত নির্ধারণ করতে হবে। আর এ লক্ষ্যে সোমবার ( ৩ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরোলজি বিভাগ, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ, বক্ষব্যাধি বিভাগ এবং অ্যানেসথেসিয়া, অ্যানালজেসিয়া অ্যান্ড ইনটেনসিভ কেয়ার মেডিসিন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে।