তিনি বলেন, আজ হাসপাতাল থেকে একটি চিঠি দিয়েছে। সেখানে কিছু খরচের কথা উল্লেখ আছে। এটা আমরা বুধবার (১৩ মে) ব্যাংকে জমা দিয়ে দেবো। আর প্রাথমিকভাবে বিএসএমএমইউ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ২০০ কিট চেয়েছে। তাও কাল জমা দেবো।
এদিকে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, গণস্বাস্থ্যকে বিএসএমএমইউ থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এর ফলে কিট পরীক্ষায় ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে বলে আমি মনে করি। চিঠিতে পরীক্ষার খরচ বাবদ ৪ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ও পরীক্ষার জন্য ২০০ কিট জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, এটা সরকারি খরচ, এটা দিতে আমাদের কোনও আপত্তি নেই। দুপুর দুইটায় চিঠি আসায় আজ ব্যাংকে টাকা জমা দিতে পারিনি। বুধবার জমা দেবো। বিএসএমএমইউ’কে বুধবার সকাল ১১টার মধ্যে কিটও পৌঁছে দেওয়া হবে।
গণস্বাস্থ্যের করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ কিট পরীক্ষা নিয়ে বিতর্কের পর ৩০ এপ্রিল ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) বা আইসিডিডিআর,বিতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য অনুমতি দেওয়া হয়। এরপর গত ২ মে কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরোলজি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. শাহীনা তাবাসসুমকে প্রধান করে ছয় সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়।
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের গবেষক ড. বিজন কুমার শীলের নেতৃত্বে ড. নিহাদ আদনান, ড. মোহাম্মদ রাঈদ জমিরউদ্দিন, ড. ফিরোজ আহমেদ এই কিট তৈরি করেন।