‘এটি আনপ্রেডিকটেবল ভাইরাস’

এটি আনপ্রেডিকটেবল ভাইরাস। তাই পরিস্থিতি স্বাভাবিক মনে হলেও জটিলতা রয়ে গেছে। আপাতত মৃত্যু-সংক্রমণ কমেছে বলে খুশির কোনও সুযোগ নেই। 

আজ রবিবার (২৯ আগস্ট) কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত ভার্চুয়াল স্বাস্থ্য বুলেটিনে অধিদফতরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. মো. রোবেদ আমিন এ কথা বলেন।

বুলেটিনে আবার সংক্রমণ বাড়তে পারে কিনা প্রশ্নের জবাবে এটা বলা খুব কঠিন মন্তব্য করে অধ্যাপক রোবেদ আমিন বলেন, যে ইনফেকশান হচ্ছে, এটি আনপ্রেডিকটেবল একটি ভাইরাস এবং এর অনেক ধরনের ভ্যারিয়েন্ট রয়েছে।

তবে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে সব ভ্যারিয়েন্ট দেখে ফেলেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, এসব ভ্যারিয়েন্ট দীর্ঘ সময় থাকে না, দুর্বল হয়ে পড়ে।

যে কারণে বর্তমান সময়ে আলফা, বেটা, গামা ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কারণ নেই। তিনি বলেন,  ডেলটা ভ্যারিয়েন্টের যে বৈশিষ্ট্য আমরা দেখতে পেয়েছি বিভিন্ন দেশে, দুই থেকে তিন মাস ঝড়ের মতো প্রভাব থাকে, এরপর ধীরে ধীরে কমে যায়। হয়তো বাংলাদেশও সেই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

সেই সঙ্গে দেশে নতুন কোনও ভ্যারিয়েন্ট আসবে কিনা সেটাও বলা যাচ্ছে না মন্তব্য করে অধ্যাপক রোবেদ আমিন বলেন, সম্ভাবনা সব সময় থাকবে।

তবে যেকোনও ভ্যারিয়েন্টেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা যদি স্বাস্থ্যবিধিগুলো মেনে চলি, তাহলে যেকোনও ভ্যারিয়েন্ট আসুক না কেন, সংক্রমণ বৃদ্ধির সম্ভাবনা কম থাকবে।

দেশে করোনাভাইরাসের টিকা নিতে নিবন্ধন কার্যক্রম সহজ করার পরও অনেকে টিকা নিতে চাচ্ছেন না উল্লেখ করে অধ্যাপক রোবেদ আমিন বলেন, বিশেষত সিনিয়র সিটিজেন যারা আছেন আমাদের দাদা-দাদি, নানিদের টিকা দেওয়ার জন্য নিবন্ধনের ব্যবস্থা যেন আমরা নিজেদের উদ্যোগে করি।

সেই সঙ্গে টিকা প্রাপ্তির কারণে আমাদের অনেক সময় লেগে যাবে টিকা দিতে জানিয়ে তিনি বলেন, যদি আমাদের দেশে উৎপাদন হতো অথবা যদি আমরা অনেক টিকার ব্যবস্থা করতে পারতাম, তাহলে মাত্র চার শতাংশ মানুষকে টিকা দেওয়া হতো না, অনেক বেশি হতো।