করোনা ভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের তাণ্ডবের মধ্যে দেশে প্রতিদিনই শনাক্ত রোগী এবং শনাক্তের হার আগের দিনকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাতে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন দুই হাজার ৯১৬ জন। আর এ সময়ে নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১১ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে।
বুধবার (১২ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাতে রোগী শনাক্তের হার ১১ দশমিক ৬৮ শতাংশ।
গতকাল নতুন শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা ছিল দুই হাজার ৪৫৮ জন আর এ সময়ে শনাক্তের হার ছিল আট দশমিক ৯৭ শতাংশ। এর আগের দিন (১০ জানুয়ারি) শনাক্ত হয় দুই হাজার ২৩১ জন এবং শনাক্তের হার ছিল ৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ।
অধিদফতর জানাচ্ছে, নতুন শনাক্ত হওয়া দুই হাজার ৯১৬ জনকে নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত করোনাতে সরকারি হিসেবে শনাক্ত হলেন ১৬ লাখ ১ হাজার ৩০৫ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন চার জন। গতকাল দুইজনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছিল অধিদফতর। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া চারজনকে নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত করোনাতে আক্রান্ত হয়ে মোট মারা গেলেন ২৮ হাজার ১১১ জন।
করোনাতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২৬৬ জন। তাদের নিয়ে দেশে করোনাতে আক্রান্ত হয়ে মোট ১৫ লাখ ৫১ হাজার ৬৫৩ জন সুস্থ হয়ে উঠলেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ২৪ হাজার ৭০৫টি আর নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৪ হাজার ৯৬৪টি।
দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে এক কোটি ১৭ লাখ ৫০ হাজার ৩০১টি। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৮১ লাখ ১৬ হাজার ৯৭৯টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৩৬ লাখ ৩৩ হাজার ৩২২টি।
দেশে এখন পর্যন্ত করোনাতে রোগী শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৬৩ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৬ দশমিক ৯০ শতাংশ আর শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৭৬ শতাংশ।
গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া চার জনের মধ্যে পুরুষ দুইজন আর নারী দুইজন।
তাদের নিয়ে দেশে করোনাতে আক্রান্ত হয়ে মোট পুরুষ মারা গেলেন ১৭ হাজার ৯৭৭ জন আর নারী মারা গেলেন ১০ হাজার ১৩৪ জন।
তাদের মধ্যে বয়স বিবেচনায় ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে রয়েছেন একজন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে একজন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে একজন আর ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে রয়েছেন একজন। আর এই চার জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের আছেন তিনজন আর চট্টগ্রাম বিভাগের আছেন একজন।