দেশের সবচেয়ে বেশি মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে উৎপাদন বা ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪-এর জাতীয় প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এ খাতে নিয়োজিত রয়েছেন ৯০ লাখ ২৮ হাজার ৬৫৬ জন।
কর্মসংস্থানের দিক থেকে উৎপাদন খাতের পরেই রয়েছে পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য এবং মোটরযান মেরামত খাত। এ খাতে কাজ করছেন ৮১ লাখ ৭৯ হাজার ৮০৭ জন। ফলে উৎপাদন খাতের তুলনায় এ খাতে কর্মরত মানুষের সংখ্যা প্রায় ৮ লাখ ৪৯ হাজার কম।
তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে পরিবহন ও সংরক্ষণ খাত। এ খাতে নিয়োজিত জনবলের সংখ্যা ৩০ লাখ ৩৩ হাজার ১৬৮ জন। এরপর অন্যান্য সেবা খাতে ২৬ লাখ ৩৮ হাজার ১ জন এবং শিক্ষা খাতে ২৪ লাখ ৫৪ হাজার ৯৩০ জন কর্মরত রয়েছেন।
এ ছাড়া আবাসন ও খাদ্যসেবা খাতে কর্মরত রয়েছেন ১৬ লাখ ১৪ হাজার ৩৪৬ জন। অর্থাৎ উৎপাদন, বাণিজ্য ও পরিবহন—এই তিনটি খাতেই সম্মিলিতভাবে বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে।
অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে মোট ৩ কোটি ৬ লাখ ৩২ হাজার ৬৬১ জন নিয়োজিত রয়েছেন। এর মধ্যে ১ কোটি ৪৭ লাখ ৭৫ হাজার ৬৭৭ জন পূর্ণকালীন এবং ১৪ লাখ ৮৪ হাজার ৮৯৬ জন খণ্ডকালীন কর্মী।
মোট কর্মরত জনবলের মধ্যে পুরুষ ২ কোটি ৫৫ লাখ ১১ হাজার ৬৫২ জন এবং নারী ৫১ লাখ ১৯ হাজার ২৭১ জন।
শুমারির তথ্য বলছে, দেশের কর্মসংস্থানে উৎপাদন ও বাণিজ্য খাতের ভূমিকা সবচেয়ে বড়। বিশেষ করে উৎপাদন খাতে ৯০ লাখের বেশি মানুষের কর্মসংস্থান হওয়ায় এ খাতটি দেশের কর্মসংস্থানের অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে উঠে এসেছে।