আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের সাইডলাইনে জমকালো আয়োজনে এই সম্মাননা প্রদান করা হবে। সিআইএএল এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বে চলছে কোচি বিমানবন্দর। ২০১৫ সালের ১৮ আগস্ট থেকে সৌরশক্তিকে কাজে লাগিয়ে সেখানে আলোর চাহিদা মেটানো হচ্ছে।
সিআইএএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ভি.জে. কুরিয়ানকে পাঠানো বার্তায় জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক এরিক সোলহেইম বলেছেন, ‘বিশ্বের প্রথম সৌরশক্তিসম্পন্ন বিমানবন্দর হিসেবে আপনারা উচ্চাকাঙ্ক্ষী উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন। আমাদের আশা, আগামীতে অনেকে এই পন্থা অনুসরণ করবে।’
সরকারি ও বেসরকারি খাতে এবং সুশীল সমাজের মধ্যে পরিবেশের উন্নয়নে অসামান্য ভূমিকার স্বীকৃতি দিতে ২০০৫ সালে ‘চ্যাম্পিয়ন অব আর্থ’ পুরস্কার চালু করে জাতিসংঘ। চারটি বিভাগে দেওয়া হয় এই সম্মাননা। ‘পদক্ষেপ ও অনু্প্রেরণাদায়ক’ শাখায় সেরা হয়েছে কোচি বিমানবন্দর।
২০১৭ সালে পুরস্কৃত অন্যরা হলেন চিলির সাবেক প্রেসিডেন্ট মিশেল বাশিলেত, নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টার, বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাইক শেয়ারিং অ্যাপ মোবাইক ও চীনের সাইহানবা সম্প্রদায়।
সূত্র: ইকোনমিক টাইমস