২০১৯ সালে ভারতের সব বিমানবন্দরে চালু হচ্ছে বডি স্ক্যানার

mumbai_airport_international_terminal_interiorভারতের বিমানবন্দরগুলোতে যাতায়াতের সময় দুই হাত উপরে তুলে কিংবা দু’দিকে প্রসারিত করে সিকিউরিটি চেকিং কার্যক্রমে সহায়তা করতে হয় যাত্রীদের। তবে সেই ঝামেলা আর থাকছে না। আগামী বছর থেকে দেশটির সব বিমানবন্দরে ব্যবহার করা হবে বডি স্ক্যানার। ইতোমধ্যে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। 
ভারতের বেসামরিক বিমান পরিবহন নিরাপত্তা ব্যুরো (বিসিএএস) শিগগিরই এসব স্ক্যানারের প্রযুক্তিগত বিবরণ ও নিয়মকানুন প্রকাশ করবে। ভারতের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের এক মুখপাত্র জানান, বিসিএএসের মানদণ্ড অনুযায়ী এগুলো স্থাপন করা হবে।

বিসিএএস প্রধা  কুমার রাজেশ চন্দ্র বলেন, ‘ভারতের কয়েকটি বিমানবন্দরে এই প্রযুক্তির পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আগামী বছরের শুরুর দিকে বডি স্ক্যানারের বিবরণ ও নিয়মনীতি প্রদান করবো আমরা।’

বিশ্বের অন্যান্য দেশে বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে বডি স্ক্যানার প্রযুক্তির ব্যবহার ব্যাপক। ২০১৩ সালের মে থেকে এটি ব্যবহার হচ্ছে আমেরিকায়। এর মাধ্যমে বিমানবন্দরে দ্রুত সিকিউরিটি চেক সম্পন্ন করা যায়। একইসঙ্গে জনবল খরচ কমে। ভারতের বেশিরভাগ বিমানবন্দরে এখন সক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রীর চাপ দেখা যায়। এসব সামলানোর ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে বডি স্ক্যানার প্রযুক্তি।

সংশ্লিষ্টদের মন্তব্য, ভারতে যেসব বডি স্ক্যানার ব্যবহার করা হবে তাতে বিশেষত্ব থাকা প্রয়োজন। কারণ, বেশিরভাগ যাত্রীর সঙ্গে শাড়ির ভাঁজ ও লুঙ্গি-ধুতির মতো পোশাকের স্তর থাকে।

বিমানবন্দরগুলো এখন বিসিএএসের বিধি প্রকাশের অপেক্ষায়। বেঙ্গালুরু ও মুম্বাই বিমানবন্দরগুলোর মুখপাত্ররা জানান, নিয়মকানুন প্রকাশ হলেই কাজ শুরু করবেন তারা। অবশ্য চূড়ান্তকরণের আগে বিসিএএসের বিধি পরীক্ষা করে দেখবে হায়দরাবাদ বিমানবন্দর।

ভারতের নেভি মুম্বাই, গ্রেটার নয়দাসহ বিভিন্ন স্থানে নতুন নতুন বিমানবন্দর গড়ে উঠছে। পুরনোগুলোতে যাত্রীদের চাপ বাড়ছে দিনে দিনে। অথচ নিরাপত্তা কাঠামো ও জনবল বৃদ্ধি পায়নি। তাই গতিশীলতার জন্য বডি স্ক্যানারের মতো প্রযুক্তি কাজে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া