শহরের ব্যস্ততা থেকে একটু দূরে গিয়ে সবুজের মাঝে নিরিবিলি সময় কাটাতে চাইলে গাজীপুরের রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্ট যেতে পারেন। রাজেন্দ্রপুরের শালবনের ভেতর প্রায় ৮০ বিঘা জায়গাজুড়ে গড়ে ওঠা এই রিসোর্টে রয়েছে সবুজে ঘেরা পরিবেশ, লেক, কটেজ, মাটির ঘর, সুইমিং পুল, শিশুদের বিনোদনের ব্যবস্থা ও নানা অবকাশ সুবিধা।
রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্টের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ এর প্রাকৃতিক পরিবেশ। গাছপালায় ঘেরা পথ ধরে হাঁটা, লেকের পাশে সময় কাটানো কিংবা সবুজের মধ্যে বসে আড্ডা। এখানে শহুরে ব্যস্ততা থেকে কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যায়। চাইলে নৌকা ও সাইকেল চালানোর পাশাপাশি রিসোর্টের খামার ও বাগানও ঘুরে দেখা যায়।
ঢাকা থেকে রওনা দিলে ময়মনসিংহ মহাসড়ক ধরে সহজেই ভবানীপুরে পৌঁছানো যায়। বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা থেকে ময়মনসিংহগামী বাসে ভবানীপুর বাসস্ট্যান্ডে নেমে স্থানীয় সিএনজি বা অটোরিকশায় রিসোর্টে যাওয়া যায়। রিসোর্টটি মহাসড়কের কাছেই হওয়ায় সড়কপথে যোগাযোগ তুলনামূলক সহজ।
কত খরচ হবে
শুধু ঘুরে আসার ক্ষেত্রে মূল খরচ হবে যাতায়াত ও খাবারের। ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে বাসভাড়া গন্তব্য ও বাসভেদে পরিবর্তিত হয়। সাম্প্রতিক ভ্রমণতথ্যে ঢাকা থেকে ভবানীপুর পর্যন্ত বাসভাড়া প্রায় ১০০ টাকা পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে। সেখান থেকে স্থানীয় যানবাহনে রিসোর্টে যেতে অতিরিক্ত ভাড়া লাগবে।
তবে রিসোর্টে থেকে পুরো দিন কাটাতে চাইলে খরচ বেশি। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আগের দিনলং প্যাকেজে জনপ্রতি প্রায় ৩ হাজার টাকা এবং দুজনের জন্য ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত উল্লেখ ছিল। অন্যদিকে রিসোর্টের বর্তমান ওয়েবসাইটে বিভিন্ন কক্ষের ভাড়া ৭ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৮ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে। তাই যাওয়ার আগে রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বর্তমান প্যাকেজ ও কক্ষভাড়া নিশ্চিত করে নেওয়াই ভালো।
রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্ট লিমিটেড-এ রাত কাটানোর পরিকল্পনা না থাকলেও একদিনের ভ্রমণে প্রকৃতি উপভোগ করা যায়। বিশেষ করে শীতের মৌসুমে সবুজ পরিবেশ, খোলা আকাশ আর তুলনামূলক আরামদায়ক আবহাওয়ায় পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য জায়গাটি হতে পারে ভিন্নধর্মী আয়োজন।