যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন, ডি.সি. থেকে ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান ফ্রান্সিসকো শহরের দিকে যাচ্ছিলো ফ্লাইটটি। কিন্তু অনির্ধারিতভাবে কলোরাডো অঙ্গরাজ্যের ডেনভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সেটি নামাতে বাধ্য হয়েছেন পাইলট। গত ২৫ সেপ্টেম্বর এ ঘটনার জন্ম হয়।
জানা গেছে, উড়োজাহাজটি মাঝ আকাশে থাকার সময় একটি টয়লেটের দরজা অকেজো হয়ে যায়। এ কারণে আটকে পড়া যাত্রী সেটি খুলতে পারছিলেন না। আমেরিকান এই বিমান সংস্থার একজন মুখপাত্র ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা বিবিসিকে এসব তথ্য জানান।
ইউনাইটেড এয়ারলাইনস নিশ্চিত করেছে, বিমান অবতরণের পর ওই নারী যাত্রীকে টয়লেট থেকে মুক্ত করা হয়েছে। তবে তিনি কোনও আঘাত পাননি।
মেকানিক এসে টয়লেটের দরজা খুলতে চেষ্টা করছেন এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে শেয়ার করেছেন একজন যাত্রী। এতে আটকে পড়া নারী যাত্রীর উদ্দেশে একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘দরজা খুলতে আমরা এখন কাজ চালিয়ে যাচ্ছি ম্যাডাম। অল্প সময়ের মধ্যে আপনাকে বের করে আনবো।’
আমেরিকার সিবিএস নেটওয়ার্কের মালিকানাধীন কেপিক্স-টিভিকে একই ফ্লাইটের যাত্রী জেনিফার গেটম্যান বলেন, ‘আটকে পড়া নারীকে টয়লেট থেকে বের হওয়ার পর স্বাভাবিক লেগেছে। তখন সবাই হাততালি দিয়েছে। তার জন্য সবার খারাপ লেগেছে। বিশেষ করে বিমান অবতরণের সময় তিনি টয়লেটে কী অবস্থায় ছিলেন জানি না। তবে ভদ্রমহিলা ভালো আছেন।’
১৫৫৪ নম্বর ফ্লাইটের যাত্রীরা জানান, ওই নারী একঘণ্টার মতো টয়লেটে আটকে ছিলেন। স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৩৮ মিনিটে তাদের সানফ্রান্সিসকো পৌঁছানোর কথা ছিল। কিন্তু ডেনভারে বিমানটি নেমে যায় সন্ধ্যা ৭টা ২১ মিনিটে। এর দুই ঘণ্টা পর সানফ্রান্সিসকোর উদ্দেশে উড়ে যায় এই আকাশযান।
সূত্র: বিবিসি