আইনমন্ত্রী বলেন, ‘দ্য ল অন বেইল’ বইটি বিচারক এবং আইনজীবীদের জন্য অনেক উপকারে আসবে। বাংলাদেশের বাস্তবতায় ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থা একটি বিরাট চ্যালেঞ্জ। কারণ, এখানে এখনও অভিযুক্ত হয়নি এমন প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ কারাগারে আছেন। তাদের চূড়ান্ত বিচার সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বলা যাবে না, তারা অভিযুক্ত।
স্থায়ী অ্যাটর্নি সার্ভিস সম্পর্কে আইনমন্ত্রী বলেন, আইন কর্মকর্তাদের মধ্যে ৩০ ভাগ স্বাধীনভাবে নিয়োগ এবং ৭০ ভাগ রাজনৈতিক নিয়োগের চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। বর্তমানে দুদক স্বাধীনভাবে প্রসিকিউটর নিয়োগ দিয়ে থাকে।
আরও পড়তে পারেন: গোপালগঞ্জে ‘বারি বাদাম ৮’ চাষে হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে
নারায়ণগঞ্জের স্কুল শিক্ষক শ্যামল কান্তিকে বহিষ্কার করার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, তিনি যদি দোষ করে থাকেন, তবে তার শাস্তি হবে, আর তিনি যদি নির্দোষ হন তাহলে আইন তার সঙ্গে থাকবে।
আইন সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল বাসেত মজুমদার, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি মুহাম্মদ ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, বাংলাদেশস্থ জার্মান দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি রুশিতা আমেলস, জিআইজেড-এর বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর টবিয়াস বেকার ও রুল অব ল’-এর হেড অব প্রোগ্রাম প্রমিতা সেনগুপ্ত ও ঢাকা ল’ রিপোর্টস-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এশরারুল হক চৌধুরী এবং আইন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান। সূত্র: বাসস
/এমএনএইচ/