মামলার অন্য আসামিরা হলেন, রুহুল আমিন ওরফে মঞ্জু, মোহাম্মদ আব্দুল লতিফ, আবু মুসলিম মো. আলী, মো. নাজমুল হুদা ও মো. আব্দুর রহিম মিয়া। তাদের বিরুদ্ধে গাইবান্ধা সদর ও সুন্দরগঞ্জ এলাকায় হত্যা, গণহত্যা, আটক, নির্যাতন, অপহরণ ও লুণ্ঠনের অভিযোগ আনা হয়েছে। আসামি ছয়জনই পলাতক রয়েছেন।
এর আগে তাদের বিরুদ্ধে তিন অভিযোগ এনে তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান বলেন, একে তো মানবতাবিরোধী অপরাধী, তার ওপর ছিলেন সংসদ সদস্য। দু’য়ে মিলে একাত্তরের পরও ত্রাসের রাজত্ব কায়েম রেখেছিলেন জামায়াত নেতা আবদুল আজিজ ওরফে ঘোড়ামারা আজিজ।
তিনি আরও জানান, ঘোড়ামারা আজিজসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সুন্দরগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বারসহ ১৩ জনকে হত্যা-গণহত্যা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ আনা হয়েছে। আজিজ একাত্তরে মুক্তিযোদ্ধা মারতে গিয়ে একটা ঘোড়া মেরে ফেলেছিলেন বলে কথিত থাকায় স্থানীয়ভাবে তিনি ‘ঘোড়ামারা আজিজ’ বলে পরিচিত।
প্রসঙ্গত, ২০০১ সালের বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের (গাইবান্ধা-১) সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত এই জামায়াত নেতা। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় আজিজের নেতৃত্বে হত্যা, অগ্নিসংযোগ, বাড়ি ভাঙচুরসহ বিভিন্ন অভিযোগের প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যও গ্রহণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: প্রকাশক টুটুল হত্যাচেষ্টাকারী সন্দেহে গ্রেফতার ১
/ইউআই/এমও/