বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিএমপি’র মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর কমলাপুর রেল স্টেশনের সামনে থেকে দলনেতা আবুল হোসেন ও তার সহযোগী মনসুর আলী, মো. শহিদ, শাহজাহান, আবুল মিয়া ও মনিরুল ইসলাম মনিরকে গ্রেফতার করা হয়। একই সময়ে গুলিস্তানের গোলাপশাহ মাজার সংলগ্ন হকার্স মার্কেটের সামনে থেকে দল নেতা মো. রাজু, আবু সাঈদ, নুরুজ্জামান ভুট্টু, জাকির হোসেন ও আবদুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। সকাল পৌনে ১১টার সময় গুলিস্তান বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে দলনেতা নুর ইসলাম, শ্রী সন্তোষ কুমার দে, মো. জুয়েল, আল মামুন, হোসেন মো. সুমন ও মো. জুম্মনকে গ্রেফতার করা হয়।
মনিরুল ইসলাম জানান, ঈদকে সামনে রেখে অতীতের মতো অজ্ঞানপার্টির সদস্যরা সক্রিয় হয়ে উঠে। তারা বিভিন্ন বাস টার্মিনাল, রেল স্টেশন, বাস, ট্রেন ও লঞ্চে খাদ্যদ্রব্যের সঙ্গে নেশা জাতীয় উপাদান মিশিয়ে নিরীহ মানুষকে অজ্ঞান করে সর্বস্ব লুট করে নিয়ে যায়। অনেক সময় চেতনানাশক ওষুধের মাত্রা বেশি হলে জীবনহানিও ঘটে যায়। এ বছর পুলিশ ও গোয়েন্দারা সতর্ক থাকায় তারা তেমন একটা সুবিধা করে উঠতে পারেনি। পুলিশের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
ডিএমপি’র ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মশিউর রহমান গ্রেফতারকৃতদের ছয়মাস থেকে দুই বছর পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন।
আরও পড়তে পারেন: জঙ্গিবিরোধী অভিযান চলবে, বাড়ছে না বিশেষ অভিযানের মেয়াদ
/জেইউ/এমএনএইচ/