তিনি বলেন, ‘আমি আজকে আনঅফিসিয়ালি এসেছি। আসার সময় আমার সিকিউরিটিকেও বলিনি যে, জজকোর্টে যাচ্ছি। আজকে সারপ্রাইজড ভিজিটে এসেছি। এসময় বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, গণমাধ্যমের কথায় আমরা বিচার করি না। তবে এমন কিছু যদি ঘটে তাহলে তার বিচার নিশ্চয়ই হবে।
সিএমএম (মুখ্য মহানগর হাকিম) আদালতের হাজতখানা দেখে এসে তিনি বলেন, আমি মর্মাহত হয়েছি। নারীদের হাজতখানায় চার নারী আসামিসহ চার শিশু রয়েছে। শিশুগুলো কোনও অপরাধী না। আমি দায়িত্বপ্রাপ্তদের জিজ্ঞেস করেছি, শিশুগুলো অপরাধী কিনা, এই শিশুরা অপরাধী না হয়েও হাজতখানায় কেন? তারা আগামী ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি, রাষ্ট্রপতি হতে পারে।’ তিনি তাদের জন্য আলাদা পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে বলেন।
প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের অপরাধীরা যখন জামিনে যায়, তখন সাক্ষীরা আদালতে নিয়মিত আসেন না। তারা ভয়ে থাকেন।’ এ ধরনের অভিযোগ থাকলে জামিন বাতিল করার জন্য তিনি বিচারকদের বলেন।
এছাড়া প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘সাক্ষীরা দীর্ঘদিন আদালতে না আসায় আসামিরা ভোগান্তিতে পড়েন। মামলার বিচারকাজ দীর্ঘায়িত হয়। এগুলো সংশ্লিষ্ট বিচারকদের আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিচ্ছি।’
প্রধান বিচারপতির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল সৈয়দ আমিনুল ইসলাম, হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার দিলজার হোসেন, প্রধান বিচারপতির বিশেষ কর্মকর্তা সাব্বির ফয়েজ, ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ এস এম কুদ্দুস জামানসহ আরও অনেকে।
/ইউআই /এএইচ/
আরও খবর পড়ুন-