মামলা চলাকালে জামিনে ছিলেন আসামি সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী, ছেলে হুমাম কাদের চৌধুরী, সাকার আইনজীবী ব্যারিস্টার এ কে এম ফখরুল ইসলাম আদালতে হাজির ছিলেন। ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলামের জুনিয়র আইনজীবী মেহেদী হাসান মামলার শুরু থেকেই পলাতক।
এদিকে, বৃহস্পতিবার দুপুরে সাকা চৌধুরীর ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরীকে ডিবি (ডিটেক্টিভ ব্রাঞ্চ) পুলিশের পরিচয়ে তুলে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার নিরাপত্তারক্ষী ।
বৃহস্পতিবার কারাগার থেকে আসামি ফারুক আহমেদ, মাহবুবুল হাসান ও নয়ন আলীকে আদালতে হাজির করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৮ আগস্ট ডিবির পরিদর্শক মো. শাহজাহান আসামি ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলামসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার সিএমএম আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। তবে রায়ের আগেই সাকা চৌধুরীর স্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্য এবং আইনজীবীরা রায় ফাঁসের অভিযোগ তোলেন। তারা ‘রায়ের খসড়া কপি’ সাংবাদিকদের দেখান।
রায় ঘোষণার পরদিন ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার এ কে এম নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে ২ অক্টোবর তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে শাহবাগ থানায় একটি জিডি করেন। এ বিষয়ে ওই বছরের ৪ অক্টোবর ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফজলুর রহমান বাদী হয়ে ঢাকার শাহবাগ থানায় আরেকটি মামলা দায়ের করেন।
আরও পড়তে পারেন: সাকা চৌধুরীর ছেলে হুম্মাম অপহৃত না ডিবিতে ?
/ইউআই/এমএনএইচ/