সূত্র জানান, তাওহীদুর রহমান ডিয়ার নামে এক ভোক্তা গত ২৮ মে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরে অভিযোগ করেন মোড়কজাত পণ্যে ভ্যাটসহ মূল্য নির্ধারণ করা হলেও স্বপ্ন সুপারশপে ভ্যাটের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে চার দফা শুনানি শেষে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৪০ নম্বর ধারা লঙ্ঘন করে নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত দামে বিক্রয় করার অভিযোগে স্বপ্নকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযোগের প্রথম শুনানি অনুষ্ঠিত হয় ১৪ জুলাই। পরবর্তী শুনানি হয় ৩১ জুলাই ও ১৭ আগস্ট। উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে চূড়ান্ত শুনানিতে আজ সোমবার (২৯ আগস্ট) স্বপ্নকে জরিমানা করা হয়।
এ প্রসঙ্গে অভিযোগকারী তাওহীদুর রহমান ডিয়ার বলেন, বাজারে প্রচলিত প্রায় প্রতিটা পণ্যেই ভ্যাটসহ সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য লেখা থাকে। যদি এরপর অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয় তাহলে ‘সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য’ লেখা সম্পূর্ণ অর্থহীন।
সুপারশপ স্বপ্নের সহ-ব্যবস্থাপক ( ভ্যাট ও ফিন্যান্স ) মিজবাউল মোর্শেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশে সুপারশপগুলোতে বিক্রিত পণ্যের ওপর ৪ শতাংশ ভ্যাট আদায় করা হয়, যা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হয়।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক রজবী নাহার রজনী বলেন, সুপারশপ স্বপ্নের বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৪০ নম্বর ধারা লঙ্ঘন করে নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রয় করার অভিযোগে জরিমানা করা হয়েছে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ (২০০৯ সালের ২৬ নং আইন) এর ৪০ ধারায় উল্লেখ রয়েছে, ‘কোনও ব্যক্তি কোনও আইন বা বিধির অধীন নির্ধারিত মূল্য অপেক্ষা অধিক মূল্যে কোনও পণ্য, ঔষধ বা সেবা বিক্রয় বা বিক্রয়ের প্রস্তাব করিলে তিনি অনূর্ধ্ব এক বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।’
/সিএ/এমএসএম/
আরও পড়ুন: ছুরিকাহত রিশার সঙ্গে যে আচরণ ছিল স্কুল কর্তৃপক্ষের