রাজধানীর লেডিস ক্লাব ও পুলিশ কনভেনশন হলে চলছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক)। বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) বিকালে দুদক এই অভিযান শুরু করে। দুদকের পরিচালক জায়েদ হাসান খান বাংলা ট্রিবিউনকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, বড় বড় বিয়ের অনুষ্ঠানে প্রচুর টাকা ব্যয় করা হয়। এসব অর্থ কোথায় থেকে আসে, এসব অর্থ বৈধ না অবৈধ, একইসঙ্গে নিয়ম মতো ট্যাক্স পরিশোধ করা হয়েছে কিনা— এসব বিষয়ে খোঁজ নিতে দুই কমিউনিটি সেন্টারে গিয়েছেন দুদক কর্মকর্তারা।
জায়েদ হাসান খান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ট্যাক্স রেভিনিউ বাড়ানোর জন্য কাজ চলছে। দেশের বড় বড় কমিউনিটি সেন্টারে বিশাল আয়োজনে বিয়ে ও অন্যান্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এক্ষেত্রে অনুষ্ঠানের খরচের ওপর শতকরা ১৫ ভাগ ভ্যাট দেওয়ার নিয়ম আছে। এটা ঠিকমতো দেওয়া হচ্ছে কিনা তা দেখতেই মূলত আজকে আমরা এ দু’টি কমিউনিটি সেন্টারে অভিযান চালিয়েছি।’
বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনে ভ্যাটের ক্ষেত্রে তিনটি বিষয় কাজ করে উল্লেখ করে জায়েদ হাসান বলেন, ‘সেন্টারের মালিক, ডেকোরেশন যারা করেন তাদের ও খাবার সরবরাহকারীদের ওপর ভ্যাট থাকে। তিন পক্ষই বিভিন্নভাবে ভ্যাট ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করে। সেটাই খোঁজ নিতে আমরা গিয়েছিলাম।’
মূলত কাস্টমসকে সাপোর্ট দিতে এই অভিযান চালানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এগুলোর ওপর নজরদারি আরও বাড়ানো হবে বলে জানান দুদর্কের এই কর্মকর্তা।
অভিযানের আরও উপস্থিত ছিলেন দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল, এনবিআরের অ্যাডিশনাল কমিশনার সামছুল আলম ও অন্যান্য কর্মকর্তারা।
আরও পড়ুন-
করদাতাদের হয়রানি না করার অঙ্গীকার এনবিআরের
স্কাউটের সংখ্যা বাড়াতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
/আরজে/এমএনএইচ/টিআর/