জিআরও রফিকুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সোহরাব মিয়া এ প্রতিবেদন দাখিল করেন। আগামী ৭ মার্চ প্রতিবেদনটি ঢাকার সাইবার অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হবে বলেও জানান তিনি।
মামলায় বলা হয়, গত বছরের ২৫ মে সিলেটের ব্যবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অপুর সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন নায়িকা মাহিয়া মাহি। বিয়ের পরের দিন থেকেই কয়েকটি গণমাধ্যমে মাহির একাধিক বিয়ে সংক্রান্ত কিছু ছবি প্রকাশ হতে থাকে। সেখানে ছবি প্রকাশের পাশাপাশি দাবি করা হয়, এর আগেও একাধিকবার মাহির বিয়ে হয়েছে। এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাড়া ফেলে। বিষয়টি নজরে এলে নায়িকা মাহি আইনের আশ্রয় নেওয়ার কথা বলেছিলেন।
মামলায় আরও বলা হয়, এ ঘটনার সঙ্গে শাওন ছাড়াও তার বন্ধু হাসান, আল আমীন, খাদেমুল এবং শাওনের খালাত ভাই রেজওয়ান জড়িত।
গত বছরের ২৮ মে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার ক্রাইম শাখায় নিজেকে মাহির স্বামী দাবি করা শাওনের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ করেন নায়িকা মাহি। ওই অভিযোগের ভিত্তিতেই শাওনকে দক্ষিণ বাড্ডার বাসা থেকে গ্রেফতার করেছিল ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেপ্তারের সময় গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ শাওনের বাসা থেকে কম্পিউটার জব্দ করে।
মাহির মামলায় শাওনকে গ্রেপ্তারের পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ড পায় পুলিশ। পরে ২০১৬ সালের ১৬ জুন এক লাখ টাকা মুচলেকায় শাওনকে বাংলাদেশ সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালের বিচারক কে এম শামসুল আলম জামিন দেন। আদালতে দু’জনের পক্ষ থেকে আপস-মীমাংসার কথা বলা হলে আদালত জামিন দেন।
আরও পড়ুন-
নিষ্পত্তি চেয়ে পুলিশকে যে চিঠি দিয়েছিলেন রাগীব আলী
‘আলেয়া কাথারেনা আইদরী খজকানালে’
/এসআইটি/টিআর/