তারা হলেন, কিশোরগঞ্জের মৃত আব্বাস আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম, লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার শিবপুরের আবু তাহেরের ছেলে রিয়াজ হোসেন মুরাদ ও সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণখানিশাইল গ্রামের হাজী আব্দুল করিমের ছেলে রেদওয়ান আহমেদ। বিকেলে রফিকুল ইসলামের লাশ গ্রহণ করেন তার স্ত্রী নারগিস বেগম, রিয়াজ হোসেনের লাশ গ্রহণ করেন তার বাবা আবু তাহের ও রেদওয়ান আহমেদের লাশ গ্রহণ করেন তার ভাই সুফিয়ান আহমেদ।
টঙ্গী থানার ওসি মো. ফিরোজ তালুকদার বলেন, ‘ডিএনএ রিপোর্ট পজেটিভ আসায় এই তিন লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’
উল্লেখ্য, গত বছরের ১০ সেপ্টেম্বর কারখানাটিতে বিস্ফোরণ ঘটে। দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ৯ জনের পরিচয় জানার জন্য ডিএনএ টেস্ট করা হয়। ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিতের পর বুধবার বিকেলে তিনজনের লাশ হস্তান্তর করা হয়। বাকি ছয় জনের লাশ এখনও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি বলে জানান টঙ্গী থানার ওসি।
/আরজে/এআইবি/ এমএনএইচ/