জানা গেছে, রাত ৯টার দিকে গাবতলী বাস টার্মিনালের পাশের একটি পুলিশ বক্সকে ঘিরে বিক্ষোভ শুরু করেন পরিবহন শ্রমিকরা। কিছুক্ষণ পর সেটিতে আগুন ধরিয়ে দেন তারা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সড়কের ওপর টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ তৈরি করে শ্রমিকরা। এক পর্যায়ে শ্রমিকরা গাড়ি ভাঙচুর শুরু করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এ সময় পুলিশের একটি রেকার ভ্যানে আগুন দেন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। তখন পুলিশের সঙ্গে তাদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যবহার করা হয় টিয়ারগ্যাস, পুলিশের সাঁজোয়া যান ও জলকামান।
এ ঘটনায় চার পুলিশসহ আট জন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন— পুলিশ কনস্টেবল অনিক চক্রবর্তী (২১), মো. রবিউল (২১), মিজু আহামেদ (২২) ও রফিকুল ইসলাম (২২), গরু ব্যাবসায়ী দেলোয়ার (৫০), শ্রমিক মো. রবিউল (৪০), গাড়িচালক মো. হাসান (২৫) এবং হোটেল বয় মো. রিফাত (২১)। এর মধ্যে গরু ব্যবসায়ী দেলোয়ার বাম পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। বাকিদের আঘাত সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি। আহতদের সবাই ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহতদের রাত সাড়ে ১১টায় ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় বলে বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া।
/এআরআর/এআইবি/টিআর/এমএনএইচ/