রাত ৯টায় পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষ শুরু হয়ে পরিস্থিতি প্রাথমিকভাবে নিয়ন্ত্রণে আসার পর রাত পৌনে ১২টার দিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন ঢাকা-১৪ আসনের এই সংসদ সদস্য। এসময় তিনি সাংবাদিকদের আশ্বস্ত করেন, আধা ঘণ্টার চেষ্টাতেই তিনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবেন। তবে তার চেষ্টা সফল হয়নি।
পরে আসলামুল হক স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে অবস্থান নেন মাজার রোডে। এসময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছি। আমিও তাদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছি। কিন্তু কিছুতেই কাজ হচ্ছে না। তাদের বোঝানো যাচ্ছে না।’ এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘সমস্যা হচ্ছে—কোনও শ্রমিক নেতাকেই পাওয়া যাচ্ছে না, যাদের মাধ্যমে সমাধান করা যাবে।’
বিএনপি-জামায়াতের প্রতি ইঙ্গিত করে গাবতলীর স্থানীয় এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘এতদিন ধরে যারা আগুন-সন্ত্রাস করেছে, তারা এই ঘটনায় সম্পৃক্ত রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে হবে।’
তবে যেকোনও পরিস্থিতিতে মানুষের পাশে রয়েছেন বলেও আশ্বস্ত করেন আসলামুল হক। তিনি বলেন, ‘মানুষের জানমাল রক্ষার জন্য আমি কাজ করব। জামায়াত-বিএনপি সবসময় সুযোগ খোঁজে। তারা যেন সেই সুযোগ না পায়, সেজন্য আমি নেতাকর্মীদের নিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আগ পর্যন্ত রাজপথে থাকব।’ এ সময় ভোর নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে আশাবাদ জানান সরকারদলীয় এই সংসদ সদস্য।
আরও পড়ুন-
অবরুদ্ধ গাবতলী: অ্যাম্বুলেন্স ঢুকতে না দেওয়ায় রিকশাই ভরসা
র্যাব-পুলিশ দেখলেই উত্তেজিত হয়ে পড়ছেন শ্রমিকরা
গাবতলীতে শ্রমিকদের অবস্থান, পরিস্থিতি থমথমে
লাশবাহী গাড়িও যেতে দিচ্ছেন না শ্রমিকরা
/সিএ/এআরআর/টিআর/এমএনএইচ/