আদালতে প্রসিকিউটর অ্যাডডভোকেট শেখ মুশফেক কবীরের সঙ্গে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন ও ব্যারিস্টার আবুল কালাম। আসামি পক্ষে ছিলেন আবদুস সোবহান তরফদার।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২৬ নভেম্বর মৌলভীবাজারের ৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ওই দিনই রাজনগর উপজেলার পাঁচগাঁও গ্রাম থেকে মাওলানা আকমল আলীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে ট্রাইব্যুনাল তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তিনি মৌলভীবাজার টাউন সিনিয়র কামিল মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত উপাধ্যক্ষ। তবে বাকি তিন আসামি মৌলভীবাজারের মো. আনিস মিয়া ওরফে লাল মিয়া, আব্দুল মোসাব্বির ও আমীর আলীকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
২০১৬ সালের ৩০ মে এই চার জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। এর আগে একই বছরের ২৩ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে তদন্ত সংস্থা।
তদন্ত প্রতিবেদনে তাদের বিরুদ্ধে আনুমানিক ১০২টি পরিবারের ১৩২টি ঘরে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ, ৬ জনকে ধর্ষণ, ৭ জনকে অপহরণ ও ৬১ জনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়।
এমটি/এমএনএইচ/