মঙ্গলবার সকাল ১১টা ২৫ মিনিটে গুলশান-২ এর ৬২ নম্বর রোডের 'আপন ঘর' নামের ডুপ্লেক্স বাড়িতে বনানী থানার এসআই রিপন কুমার ও এসআই মিল্টন দত্তের নেতৃত্বে ছয় জন পুলিশ ঢুকে তল্লাশি চালায়। বাড়িটির হোল্ডিং নম্বর এন ডব্লিউ (সি) । দেড় ঘণ্টাব্যাপী এই অভিযান শেষে দুপুর একটায় তারা বাসা থেকে বের হয়ে আসে।
তিনি বলেন, ‘সে বাসায় নেই। গতকাল (সোমবার) সকালে সে বের হয়েছে। এখন সে কোথায় আছে আমি জানি না। পুলিশ আমার বাসায় তল্লাশি চালায়।’
এদিকে, অভিযুক্ত সাফাত আহমেদের বাসা থেকে দুপুর ১২টা ৫৮ মিনিটে বের হয়ে এসে এসআই রিপন কুমার সাংবাদিকদের জানান, বাসায় সাফাতকে পাওয়া যায়নি। তার পাসপোর্টটিও বাসায় খুঁজে পাওয়া যায়নি।
তারা জানান, সোমবারও পুলিশ সাফাতের বাড়িতে রেইড দিয়েছিল, তবে তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে সাফাতসহ মামলার অন্য আসামিদের ধরার জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে।
এ অভিযান শেষে দুপুর দেড়টার দিকে সাফাতের বাবা ও আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদ তার বাসা থেকে বের হওয়ার সময় গণমাধ্যম কর্মীরা তার মুখোমুখি হয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি শুধু বলেন, ‘আমার ছেলে ব্লাকমেইলের শিকার।’ এরপর সাংবাদিকদের আর কোনও প্রশ্ন করার সুযোগ না দিয়ে দ্রুত গাড়ি নিয়ে বের হয়ে যান। এসময় তার গাড়ির ধাক্কায় দুজন সংবাদ কর্মী আহত হন।
এদিকে, ঘটনাস্থল গুলশান হওয়ায় মার্কিন দূতাবাস থেকেও এক কর্মকর্তা এসে ঘটনার খোঁজখবর নেন।
/এসএমএন/টিএন/