বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেন। এই জালিয়াতির ঘটনায় কারা জড়িত সে বিষয়ে পৃথক মামলা দায়ের করতে রেজিস্ট্রার জেনারেলকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
গত বছরের ১৩ নভেম্বর মুগদা থানাধীন বিশ্ব রোডে অস্ত্র ও গুলি কেনাবেচার সময় চার জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই ঘটনায় ওইদিনই মুগদা থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় জনু ও শহর আলী ওরফে লিটন গ্রেফতার হন।গত ২৭ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট থেকে নথি জাল করে জামিন নেন আসামি জনু।
আজ ওই মামলার অপর আসামি শহর আলী হাইকোর্টে জামিন চাইতে আসেন।শহর আলীর আইনজীবী নাসিমা আক্তার শানু শুনানিতে বলেন, ‘মামলার আসামি জনু হাইকোর্টে জামিন পেয়েছেন। সেই হিসেবে শহর আলীও জামিন পেতে পারেন।’
তখন আদালত জনু ও শহর আলীর জামিন আবেদন পর্যালোচনা করতে গিয়ে দেখতে পান যে, মূল এজাহার ও জব্দ তালিকার নথি জাল করে জামিন আবেদন করেছিলেন জনু। তার কাছ থেকে যে একটি পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছিল, আবেদনে সে বিষয়টি উল্লেখই ছিল না। পরে হাইকোর্ট জনুর জামিন বাতিল করে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। একই আদালত আসামি শহর আলীর জামিন আবেদন উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দেন।
/এমটি/ইউআই/এপিএইচ/