এ বিষয়ে জানতে চাইলে পিরোজপুর জেলার পুলিশ সুপার ওয়ালিদ হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মামলা করার অধিকার আছে সবার। তবে সেটা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেব।’
পিরোজপুর প্রতিনিধি জানান, মামলার বাদী ফারুক হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘রুস্তম আলী ফরাজী একজন সৎ মানুষ। আজমল হক হেলাল তার ফেসবুক ওয়ালে সংসদ সদস্য ফরাজীর বিরুদ্ধে মনগড়া স্ট্যাটাস দিয়েছেন। এ কারণে তিনি আজমল হক হেলালের বিরুদ্ধে তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা (নং-৬, তাং-০৬-০৭-২০১৭) করা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘এ মামলা করার জন্য তাকে সংসদ সদস্য ফরাজী আম মোক্তার নামা দিয়েছেন।’ ফরাজী কেন আপনাকে আমমোক্তারনামা দিলেন মামলা করার জন্য?—এমন প্রশ্নের জবাবে ফারুক হোসেন বলেন, ‘ডা. রুস্তম আলী ফরাজী একজন সংসদ সদস্য। তিনি সরাসরি মামলা করতে পারেন না বিধায় আমাকে দিয়ে মামলা করিয়েছেন।’ নিজেকে রুস্তম আলী ফরাজীর একজন অনুসারী বলেও দাবি করেন ফারুক হোসেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মঠবাড়িয়া থানার এসআই বিকাশ চন্দ্র বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বাদীর অভিযোগ ঠিক কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এক্সপার্টদের কাছেও পেইজটি পাঠানো হবে।’
সাংবাদিক আজমল হক হেলাল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘স্বাধীন বাংলা ডটকম ও পার্লামেন্ট ওয়াচ নামে দু’টি গণমাধ্যমে সংসদ সদস্য রুস্তম আলী ফরাজীর বিরুদ্ধে ৩০ কোটি টাকার কাজ না করে বিল উত্তোলন করেছেন বলে সংবাদ প্রকাশ করে। আমি ওই সংবাদ ফেসবুকে শেয়ার দিয়েছি। তার বিরুদ্ধে যে মিছিল হয়েছে, সেটি আমি ফেসবুকে দিয়েছি। এটি করা কি অপরাধ? তাহলে তো আমার কথা বলার অধিকারও ক্ষুণ্ন করা হলো ৫৭ ধারায় মামলা দিয়ে। আমি এ ধারা বাতিলসহ আমার বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যামামলা প্রত্যাহারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাই।’
/জেইউ/এমএনএইচ/