শুল্ক গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, ইতালি থেকে আসা একটি চালানে বৈধ অস্ত্রের পাশাপাশি আমদানি নিষিদ্ধ পুরনো ও ব্যবহৃত অস্ত্রও আনা হয়েছে বলে শুল্ক গোয়েন্দার কাছে তথ্য ছিল। এ তথ্যের পরিপ্রক্ষিতে শুল্ক গোয়েন্দা দল রবিবার এয়ারকার্গো ইউনিটের ১ নম্বর স্ট্রংরুমে রক্ষিত আগ্নেয়াস্ত্রগুলো পরীক্ষা করে। এসময় শুল্ক গোয়েন্দার এয়ারফ্রেইট দল, ঢাকা কাস্টম হাউস, র্যাব ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। চালানটি ইতালি থেকে কে ইউ ২৮৩ ফ্লাইটের মাধ্যমে বাংলাদেশে আসে।
কাগজপত্র পরীক্ষা করে সংশ্লিষ্টরা জানান, চালানটির আমদানিকারক বায়তুল মোকাররমের ইমরান আর্মস অ্যান্ড কোম্পানি। সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মোহাম্মদপুরের পূর্ব রায়েরবাজারের এম এম ট্রেডার্স। আগ্নেয়াস্ত্রের রফতানিকারক আর্মেরিয়া ফ্রানসিলুসি ইটালো এসআরএল রোমা, ইতালি। জব্দ করা প্রতিটি পিস্তলের শুল্কায়নযোগ্য মূল্য ৯০ ইউরো। এর ওপর ২৮৯ দশমিক ২১ শতাংশ শুল্ক কর প্রযোজ্য। এই চালানে আরও ৫৬টি আগ্নেয়াস্ত্র এসেছে। এগুলো খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে। মঙ্গলবার (১১ জুলাই) সংশ্লিষ্ট সবার উপস্থিতিতে বাকি অস্ত্রগুলো পরীক্ষা করা হবে।
শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান বলেন, ‘আমদানি নিষিদ্ধ এসব আগ্নেয়াস্ত্র আনার বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। একই অস্ত্রের বিভিন্ন অংশের ভিন্ন ভিন্ন সিরিয়াল নম্বর থাকার বিষয়টি সন্দেহজনক। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কাস্টমস নেটওয়ার্কগুলোর মধ্যে ৩ জুলাই থেকে শুরু হওয়া ‘অপারেশন আইরিন-২’-এর অংশ হিসাবে এই অভিযান পরিচালিত হয়। এই অভিযান ৪ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। বাংলাদেশসহ এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ২২টি দেশ অভিযানে অংশ নিচ্ছে। শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতর এই অভিযানের লিয়াজোঁ অফিস হিসেবে কাজ করছে।
/জেইউ/এএম/টিআর/