ঢাকা কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘গোপন সংবাদ থাকায় বৃহস্পতিবারি দিনগত রাত সাড়ে ১২টায় আসা ওই ফ্লাইটের সন্দেহজনক যাত্রীদের ওপর নজর রাখা হয়।’
তিনি জানান, এই দুই যাত্রী হলেন মালয়েশিয়া থেকে আসা যাত্রী ফজর আলী, বাড়ি- দোহার, ঢাকা এবং অপর যাত্রী মো. কামাল হোসেন, বাড়ি-বুড়িচং, কুমিল্লা। তাদের ব্যাগেজ স্ক্যানের পর বিমান বন্দরের গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমকালে প্রাথমিকভাবে শরীর তল্লাশি করা হয়। কোনও স্বর্ণ না পাওয়ায় পরবর্তীতে বিমান বন্দরে ব্যবহৃত অর্চওয়েতে নিয়ে শরীর থেকে মেটাল জাতীয় পদার্থ অপসারণ করে হাঁটানো হয়। পরে সেখানে হাই ফ্রিকোয়েন্সিতে মেটাল জাতীয় পদার্থ থাকার সিগনাল পাওয়া যায়। দুই যাত্রীই তখন তাদের রেক্টামে স্বর্ণ থাকার কথা স্বীকার করেন। পরে যাত্রী দুজনকে বিমান বন্দরের টয়লেটে নিয়ে গিয়ে তাদের রেক্টামে থাকা তিনটি করে মোট ছয় পিস স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়।
এই কর্মকর্তা আরও জানান, উদ্ধার করা বারগুলোর মোট ওজন ৬০০ গ্রাম। এগুলোর আনুমানিক বাজার মূল্য ৩০ লাখ টাকা। এ বিষয়ে আইনানূগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
/সিএ/এফএস/