শাহ আলী থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মুর্শেদ আলম জানান, ধারণা করা হচ্ছে ওই নারী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার রাত ১০টার পর থেকে বুধবার সকাল সাতটার মধ্যে সামসুন্নাহার শান্তা বাসার ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়েছেন।
পুলিশ কর্মকর্তা মুর্শেদ আলম জানান, গত ৬ বছর আগে প্রেম করে মঞ্জুরুল ইসলামের সঙ্গে সামসুন্নাহার শান্তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর মঞ্জুরুল ইসলাম শান্তাকে নিয়ে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ভাড়া থাকতেন। একপর্যায়ে শান্তা জানতে পারেন তার স্বামী মঞ্জুরুল ইসলামের আরেকটি সংসার রয়েছে। তার প্রথম স্ত্রীর ঘরে সন্তানও রয়েছে। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ঝগড়া-বিবাদ চলতে থাকে। এক পর্যায়ে মঞ্জুরুল ইসলাম সামসুন্নাহার শান্তাকে তাচ্ছিল্য এবং অবহেলা করা শুরু করেন। এ অবস্থায় শান্তা তার স্বামী মঞ্জুরুল ইসলামের ইচ্ছার বিরুদ্ধে সন্তান ধারণ করেন।
তিনি আরও জানান, এরপর থেকেই মঞ্জুরুল গর্ভের সন্তান নিয়েও নানা অপবাদ দেওয়াসহ শান্তার ওপর অত্যাচার শুরু করেন। এ অবস্থায় অপমান সইকে না পেরে শান্তা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। তার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বুধবার রাত ৮টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে, বলেও জানান তিনি।