আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন ও নাছির উদ্দিন খান সম্রাট। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আল আমীন সরকার।
এর আগে সরকার ২০১২ সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দফতরি কাম প্রহরী নিয়োগের নীতিমালা তৈরি করে। এরপর সারাদেশে ৩৬ হাজার পদ সৃষ্টি করে সংশ্লিষ্টদের অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে এ অবস্থা থেকে চাকরি রাজস্ব খাতে স্থানান্তর চেয়ে রিট দায়ের করা হয়।
‘বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কর্মচারী কল্যাণ সমিতি’র সভাপতি সাধনকান্তি বাড়ই, সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন মোল্লাসহ মোট ১২৭ জন এই রিট দায়ের করেন।
পরে রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে দেশের বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দফতরি পদে অস্থায়ী ভিত্তিতে কর্মরত ১২৭ জনের চাকরি কেন রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। সেই রুলের শুনানি শেষে রবিবার রায় দেন হাইকোর্ট।