দুদকের আদেশে উল্লেখ রয়েছে, আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে নিজের ও তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের স্থাবর ও অস্থাবর সব সম্পদের বিবরণী দুদকে জমা দিতে হবে এএসএম এমদাদুদ দস্তগীর ও হোসনে আরা আক্তারকে। নির্ধারিত সময়ে তা দিতে ব্যর্থ হলে কিংবা মিথ্যা তথ্য দিলে আইনের ধারা ২৬-এর ২ উপধারা অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুদকের এক কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘এএসএম এমদাদুদ দস্তগীর ও হোসনে আরা আক্তারের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আসার পর প্রাথমিক তদন্ত শেষ হয়েছে। এবার তাদের সম্পদের হিসাব চাওয়া হয়েছে। হোসনে আরা আক্তার নারায়ণগঞ্জের জেলা জজ ছিলেন।’
আদেশ প্রসঙ্গে অতিরিক্ত সচিব এএসএম এমদাদুদ দস্তগীরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দুদকের নোটিশ আমি এখনও হাতে পাইনি। এটি দেখলে জানতে পারবো কী চাওয়া হয়েছে। নোটিশ হাতে না পাওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে আর কোনও কথা বলা ঠিক হবে না।’