বৃহস্পতিবার (৮ মার্চ) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান। অন্যদিকে মোরশেদ খানের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ ও ব্যারিস্টার আহসানুল করীম।
এর আগে ২০১৩ সালে মোরশেদ খান, তার স্ত্রী ও ছেলেসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন। সেই মামলার কারণে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ ছিল। পরে ওই মামলায় দুদক চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়। এরপর আদালত তাদেরকে অব্যাহতি দিলে মোরশেদ খানসহ তিনজনের অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়া হয়।
আদালতের অব্যাহতি আদেশের পর ঢাকার বিশেষ আদালতে দুদকের পক্ষ থেকে নারাজি আবেদন করা হলে সেটি খারিজ হয়ে যায়। বিচারিক আদালতের এ খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে দুদক হাইকোর্টে একটি রিভিশন আবেদন করে। দুদকের সেই আবেদনের শুনানি নিয়ে ২০১৬ সালের ৫ জুন ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ দিয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।
২০১৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর এ রুলের শুনানি শেষে হাইকোর্ট ৯ নভেম্বর রায় ঘোষণার জন্য দিন নির্ধারণ করেন। পরে ওই একই বছরের ৯ নভেম্বর হাইকোর্ট তার রায়ে মামলাটি পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে আপিলে যান মোরশেদ খান।