পিবিআইয়ের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. আতিকুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (২৭ মার্চ) একটি চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। বিক্রয় ডটকমে বিজ্ঞাপন দিয়ে ওই ফোনটি বিক্রি করা হয়েছিল। হ্যান্ডসেটটি উদ্ধারের পর আজ বুধবার (২৮ মার্চ) এর মূল মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।
পিবিআই সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ মার্চ রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার অধীন গণভবনের সামনে থেকে ইশতিয়াক ইমন নামের একজনের মোবাইল ফোন হারিয়ে যায়। শাওমি নোট ৪ মডেলের ওই হ্যান্ডসেটটি হারানোর পর ১৫ মার্চ শেরেবাংলা নগর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করেন ইমন। ওই জিডির ভিত্তিতেই তদন্ত করে ২৭ মার্চ মোবাইল সেটটি উদ্ধার করে পিবিআই।
পিবিআই বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছে, একটি জিডির ভিত্তিতে হারানো মোবাইল সেটটির সন্ধান শুরু হয়। সেটের আইএমইআই নম্বরের সহায়তায় হারিয়ে যাওয়া সেটের ব্যবহারকারীর লোকেশন ও নম্বরের কল ডিটেইল রেকর্ড (সিডিআর) বের করা হয়। পরে সেটটির পরের ব্যবহারকারীকে জানানো হয়, তার কেনা মোবাইলটি চোরাই।
এএসপি আতিকুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ওই সেটটি যিনি পরে কিনেছিলেন, তাকে চোরাই সেটের বিষয়ে জানানোর পরই তিনি তা পিবিআই সদর দফতরে এসে ফেরত দিয়ে যান। ওই সময় তিনি জানান, বিক্রয় ডটকমে বিজ্ঞাপন দেখে ১২ হাজার টাকা দিয়ে ফোনটি কেনেন তিনি। কিন্তু তার জানা ছিল না যে এটি চোরাই সেট। এ বিষয়ে তাকে অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে।’
এএসপি আতিকুর জানান, এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। তবে যে চক্রটি অনলাইনে বিজ্ঞাপন দিয়ে চোরাই মোবাইল ফোন বিক্রি করে আসছে, সেই চক্রকে গ্রেফতার করতে পিবিআই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে, ভুক্তভোগী ইশতিয়াক ইমন পেশায় একজন গণমাধ্যমকর্মী। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘১২ মার্চ আমার মোবাইল ফোনটি হারিয়ে গেলে ১৫ মার্চ একটি জিডি করি। পরে এর একটি কপি নিয়ে আমি পিবিআইয়ে যোগাযোগ করি। পরে পিবিআই ফোনটি উদ্ধার করে আমাকে জানায়। আজ (বুধবার) দুপুরে গিয়ে পিবিআই সদর দফতর থেকে সেটটি নিয়ে এসেছি।’
আরও পড়ুন-
‘ধর্ষক’ বাবুলের আদ্যোপান্ত
জন্মদিন পালন করায় ৯ ছাত্রকে রড দিয়ে পেটালেন শিক্ষক