মঙ্গলবার (৩ এপ্রিল) চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের অন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশন পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর রানা দাশ গুপ্ত। আর আসামিপক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আব্দুস সোবহান তরফদার ও আব্দুস সাত্তার পালোয়ান।
এ মামলার ১৬ আসামি হলেন- সালামত উল্লাহ খান, মৌলভী মোহাম্মাদ জাকারিয়া শিকদার (৭৮), অলি আহমদ (৫৮),জালাল উদ্দিন (৬৩), মৌলভী নুরুল ইসলাম (৬১), মোহাম্মদ সাইফুল ওরফে সাবুল (৬৩), মমতাজ আহমদ (৬০), হাবিবুর রহমান (৭০), মৌলভী আমজাদ আলী (৭০), মৌলভী রমিজ হাসান, বাদশা মিয়া (৭৩), ওসমান গনি (৬১), আব্দুল শুক্কুর (৬৫),জাকারিয়া (৫৮), মৌলভী জালাল (৭৫) ও আব্দুল আজিজ (৬৮)।
এছাড়াও এ মামলার আরও দুই আসামি এসআই সামসুল হকের ঠিকানা না পাওয়ায় এবং আব্দুল মজিদ মাস্টার ও মো. রশিদ মিয়া মারা যাওয়ায় অভিযোগপত্র থেকে তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়।
মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) নূরুল ইসলাম ২০১৪ সালের ১২ মে থেকে ২০১৫ সালের ৮ অক্টোবর পর্যন্ত তদন্ত শেষ করেন।
প্রতিবেদনে ৬০ জন সাক্ষীর জবানবন্দি, ঘটনাস্থলের খসড়া মানচিত্র ও সূচি এবং ঘটনাস্থলের স্থির চিত্র দাখিল করা হবে প্রসিকিউশনে। তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের মধ্যে মোট ঘটনা ১৩টি। এর মধ্যে হত্যার ৯৪টি, নারী নির্যাতন অসংখ্য এবং লুটপাট ও অগ্নি সংযোগ। মামলায় মোট ১২৬ জন সাক্ষী রয়েছে।
হত্যা, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ, ধর্মান্তরিত ও দেশান্তরসহ মানবতাবিরোধী মোট ১০টি অভিযোগ আনা হয়েছে এ আসামিদের বিরুদ্ধে।