বাড়ি বরাদ্দে অনিয়ম: মির্জা আব্বাসসহ অন্যদের মামলা চলবে

সুপ্রিম কোর্টসরকারি ১৮টি পরিত্যক্ত বাড়ি বরাদ্দে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) রিট খারিজ করে দিয়েছেন হইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (৫ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন।
আইনজীবীরা বলছেন, এর ফলে চারদলীয় জোট সরকারের সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী মির্জা আব্বাসসহ ১৫ আসামির বিরুদ্ধে বিচারিক আদালতে মামলা চলতে বাধা নেই বলে।
আদালতে রাজউকের তৎকালীন অফিসার কাজী রিয়াজুল মনিরের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ, দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান।
আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে এই মামলাগুলো দায়ের করা হয়। বিচারিক আদালতে মামলাগুলো সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে। কিন্তু হাইকোর্টের রুলসহ স্থগিতাদেশ থাকায় বিচারিক আদালতে মামলার কার্যক্রম বন্ধ ছিল। আজ রুল খারিজ করে দেওয়ায় মামলা চলতে কোনও বাধা থাকলো না।
প্রসঙ্গত, সরকারি ১৮টি পরিত্যক্ত বাড়ি নিয়ে সাজানো দরপত্র ডেকে অস্বাভাবিক কম দামে বিক্রির অভিযোগে ২০০৭ সালের মার্চে সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাসসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মতিঝিল থানায় মামলা করে দুদক। ওই বছরের ২০ সেপ্টেম্বর অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, সাজানো দরপত্রের মাধ্যমে ও প্রকৃত দামের চেয়ে কম দাম দেখিয়ে ১৮টি সরকারি বাড়ি বিক্রি করে আসামিরা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন। এতে সরকারের ক্ষতি হয়েছে ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা। ওই অভিযোগপত্রে মির্জা আব্বাস ছাড়াও আরও ১৪ আসামির বিরুদ্ধে সুবিধা আদায়ের বিভিন্ন অভিযোগের কথা তুলে ধরা হয়।
আরও পড়ুন-
সুন্দরবনের আশপাশের ২৪ প্রতিষ্ঠান পরিবেশের জন্য হুমকি, আদেশ ৯ মে