মামলার আসামিরা হলেন ওয়ারী থানার পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) রফিকুল ইসলাম, পরিদর্শক (তদন্ত) সেলিম, উপ-পরিদর্শক জ্যোতি ও সোর্স মোশারফ।
বেঞ্চ সহকারী জানান, বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তিনি আরও বলেন, ‘নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন-২০১৩’-এর ধারা-১৫-এর (১, ২, ৩ ও ৪) উপধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।’
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ৪ এপ্রিল রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাকিব হাওলাদার (১৫) বাসা থেকে বের হয়ে কাপ্তানবাজারে পান আনতে যায়। এ সময় কোনও গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াই তাকে ওয়ারী থানায় ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। বাদী (নিহতের মা) খবর পেয়ে ওয়ারী থানার পুলিশের কাছে তার ছেলেকে গ্রেফতারের কারণ জানতে চান। এ সময় তাকে কোনও তথ্য দেওয়া হবে না বলে জানায় পুলিশ। একইসঙ্গে বেশি কথা বললে গ্রেফতারেরও হুমকি দেওয়া বাদীকে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, বাদী পরবর্তী সময়ে রাতে আবারও থানায় গেলে তার ছেলের চিৎকার শুনতে পান। তখন তাকে ওসি রফিকুল ইসলাম থানা থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। তিনি বের হতে না চাইলে তাকে গুলি করার হুমকি দেন আসামিরা। একপর্যায়ে আসামিরা তাকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেন।
গত ৬ এপ্রিল আবার ছেলের খবর নিতে গেলে কেউ তার ছেলের খবর দেয়নি। সর্বশেষ সকাল ১১টায় বাদী জানতে পারেন তার ছেলে ‘ক্রসফায়ারে’ মারা গেছে।