পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘হাসান অপু নিজেকে জাইকা বাংলাদেশের একজন অফিসার পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জাইকার নামে ভুয়া ইমেইল দিয়ে নানান কাজ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে ইমেইল করে এবং ৯০ কোটি টাকার কাজের ওয়ার্ক অর্ডার নেয়। এই কাজের অগ্রীম হিসেবে বিভিন্ন মাধ্যমে ১৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় সে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সাইবার নিরাপত্তা ও অপরাধ দমন বিভাগে অভিযোগ করলে, বিষয়টি তদন্ত করে জাইকার কর্মকর্তা পরিচয়দাতার পরিচয় নিশ্চিত হয়ে হাসান অপুকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’
এ সময় তার কাছ থেকে জাইকার ভুয়া আইডি কার্ড, বিজনেস কার্ড, মোবাইল ফোন সেট উদ্ধার করা হয় এবং জাইকা বাংলাদেশ নামে ভুয়া ইমেইল আইডিগুলো জব্দ করা হয়।
আটককৃত আসামী হাসান অপুর বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় তথ্য ও যোগাযোগ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।