ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদ এলাহী জানান, প্রত্যেককে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরীক্ষা চলাকালে অন্যের হয়ে অর্থের বিনিময়ে পরীক্ষা দিতে এসে মোবাইল কোর্টে হাতেনাতে ধরা পড়েন ঢাকা জেলার সুমাইয়া আক্তার ও কেয়া আক্তার। অপরদিকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে লুকিয়ে মোবাইল ফোনসহ প্রবেশ করে মোবাইলে ফোনের মধ্যে বাইর থেকে এসএমএসের মাধ্যমে উত্তর সংগ্রহের সময় ধরা পড়েন বীথি আক্তার ও শারমিন আক্তার।
ঢাকা জেলার মোট ১৪টি কেন্দ্রে ২৬ হাজার ৮১ জন আবেদনকারীর জন্য এ পরীক্ষার আয়োজন করে ঢাকা জেলা প্রশাসন। ঢাকাসহ সারাদেশে মোট ২০টি জেলায় এ নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।