তিনি জানান, বেশভূষা দেখে বোঝার উপায় নেই শহীদুল্লাহ ইয়াবা ব্যবসায়ী। গ্রেফতারের পর সে নিজেকে হাফেজ পরিচয় দিয়েছে। যাতে কেউ সন্দেহ করতে পারে সেজন্য এই বেশভূষা নিয়েছে বলে জানিয়েছে শহীদুল্লাহ। এই ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (৪ জুন) বিকালে ঢাকা মাওয়া রোডের মেট্রো সিএনজি স্টেশনের নামাজের জায়গায় অভিযান চালিয়ে ইয়াবা লেনদেনের সময় শহীদুল্লাহ ও শ্রী স্বপন নামে দুজনকে আটক করে হয়। এসময় অপর একজন পালিয়ে যায়। শহীদুল্লাহর কাছ থেকে দশ হাজার এবং স্বপনের কাছ থেকে আট হাজার ৪০০ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এরপর তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ট্রাকচালক মাহবুর সরদার ও হেলপার মাহমুদ হোসেনকে আটক করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মিনি ট্রাকের টুলবক্স থেকে দশ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করে পুলিশ।
জিজ্ঞাসাবাদে শহীদুল্লাহ জানিয়েছে, তার বাড়ি টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপে। সে মিয়ানমার থেকে ইয়াবা এনে তারেকের সহযোগিতায় ঢাকায় ব্যবসা করতো।