দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার আপিলসহ চার আবেদনের শুনানি মঙ্গলবার

৮ ফেব্রুয়ারি রায়ের পর আদালতে খালেদা জিয়াজিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার খালাস চেয়ে করা আপিলের সঙ্গে তার সাজা বৃদ্ধি চেয়ে করা দুদকের আবেদন (রিভিশন) একসঙ্গে শুনানির জন্য মঙ্গলবার (৩ জুলাই) দিন ধার্য করা হয়েছে। খালেদা জিয়ার আপিল ও দুদকের রিভিশন আবেদনসহ মামলার আরও দুই আসামি কাজী সলিমুল হক কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমদের করা পৃথক দুটি আপিলসহ মোট চারটি আবেদনের ওপর ওই শুনানি করা হবে। বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এই শুনানি হবে।

এর আগে গত ২১ জুন হাইকোর্টের ৫৮টি বেঞ্চ পুনর্গঠন করেন প্রধান বিচারপতি। এ সময় বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ থেকে বিচারপতি সহিদুল করিমকে অন্য একটি বেঞ্চে যুক্ত করা হয়। পাশাপাশি বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমের সঙ্গে বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে যুক্ত করা হয়। এছাড়া পুনর্গঠিত এই বেঞ্চে দুদকের মামলার শুনানির ক্ষমতা বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি ড. কে. এম. হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চকে দেওয়া হয়।

এদিকে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় কারাদণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়ার খালাস চেয়ে করা আপিল আবেদন ছাড়া খালেদা জিয়ার সাজা বৃদ্ধি চেয়ে দুদকের রিভিশন আবেদন শুনতে অপারগতা প্রকাশ করেন বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ।

দুদক আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, ‘খালেদা জিয়ার সাজা বৃদ্ধি চেয়ে করা আমাদের (দুদক) আবেদন হাইকোর্ট শুনতে অপারগতা প্রকাশ করে দুদকের মামলার জন্য নির্ধারিত বেঞ্চে শুনানি করতে বলেন। কিন্তু আমরা উভয়পক্ষের আবেদন একসঙ্গে শুনানি করতে চেয়েছি। তাই এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন জানাই। এর ফলে খালেদা জিয়ার আপিল আবেদনের সঙ্গে আমাদের রিভিশন আবেদন ও অন্য দুই আসামির পৃথক দু’টি আপিল আবেদন একসঙ্গে শুনানির জন্য ৩ জুলাই তারিখ নির্ধারণ করেন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ।

প্রসঙ্গত, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ দুর্নীতি ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন বিচারিক আদালত। রায় ঘোষণার পরপরই  খালেদা জিয়াকে নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।