চসিক মেয়রসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল

সুপ্রিম কোর্টকর্ণফুলী নদী তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে উচ্চ আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়ন না করায় চট্টগ্রাম সিটি মেয়রসহ (চসিক) আটজনের বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার অভিযোগে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না,তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। 

মেয়র ছাড়াও অন্যরা হলেন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, চট্টগ্রামের পুলিশ কমিশনার, পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চিফ এক্সিকিউটিভ ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান। তাদেরকে চার সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত এক আবেদনের শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (৩ জুলাই) বিচারপতি  আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কর্ণফুলী নদীর তীরে অবৈধ দখল সংক্রান্ত ২০১০ সালে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন নিয়ে জনস্বার্থে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে রিট করা হয়। রিটের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট ১১ দফা নির্দেশনা দেন। নির্দেশনায় ৯০ দিনের মধ্যে বিবাদীদেরকে নদীর জায়গা থেকে স্থাপনা উচ্ছেদ করা এবং জলাধার সংরক্ষণ আইনের ৫,৮,৬ (ঙ) ১৫ ধারার বাস্তবায়ন করতে বলেন। ২০১৬ সালের ১৬ আগস্টের এ রায়ের অনুলিপি বিবাদীদের কাছে পাঠানোর পরও এখন পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। সে পরিপ্রেক্ষিতে আটজনকে গত ২৫ জুন সংগঠনটির পক্ষ থেকে আদালত অবমননার নোটিশ পাঠিয়ে সাত দিনের মধ্যে আদালতের রায় অনুযায়ী কর্ণফুলী নদী তীর থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের অনুরোধ জানানো হয়। 

মনজিল মোরসেদ বলেন, ‘আমরা নোটিশের কোনও জবাব না পেয়ে ২ জুলাই আদালত অবমাননার মামলা করি। আদালত শুনানি নিয়ে উক্ত রুল জারি করেন।’